সোম. অক্টো. ২৬, ২০২০

করোনার ত্রাণ অনিয়মে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

সাময়িক বরখাস্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আবছার

Read Time:1 Second

সম্প্রীতি বার্তা: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারি ত্রাণ নিয়ে অনিয়মে অভিযুক্ত চট্টগ্রামের এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি হলেন- চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আবছার।

রোববার (১২ এপ্রিল) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ ইফতেখার আহমদ চৌধুরীর সই করা এক আদেশ হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রুহুল আমিনের কাছে এসেছে। ইউএনও রুহুল আমিন সারাবাংলাকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নুরুল আবছার ২০১৬ সালে হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন থেকে আওয়ামী লীগের সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সম্প্রতি পরিষদের আটজন সদস্য তার বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে ইউএনও’র কাছে চিঠি দেন।

তার বিরুদ্ধে যেসব ইউপি সদস্য অনাস্থা এনেছেন তারা হলেন- গাজী মো. আলী হাসান, মো. নুরুল ইসলাম, মো. জাকির হোসেন, মো. আলী, মো. আবদুল লতিফ, লাকি আকতার. জালাল আহমেদ ও সাজেদা ইয়াসমিন।

চিঠিতে আট ইউপি সদস্য অভিযোগ করেন- চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের না জানিয়ে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করছেন। বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ইউপি সদস্যদের না জানিয়েই। এছাড়া করোনা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঘরবন্দি থাকা হতদরিদ্রদের তালিকা করা হলেও ইউপি সদস্যদের জানানো হয়নি। ফলে করোনার ত্রাণ ভুক্তভোগীদের কাছে পৌঁছেছে কি না তা নিয়ে সন্দিহান তারা।

এ অবস্থায় অভিযোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে মির্জাপুর ইপির চেয়ারম্যান নুরুল আবছারকে বরখাস্তের দাবি জানান ওই আট ইউপি সদস্য। ইউএনও রুহুল আমিন অভিযোগটি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠান। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ইউএনও প্রাথমিক তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দেন।

এরপর স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ৩৪ (৪) এর (ঘ) ধারায় নুরুল আবছারকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ এসেছে। সেইসঙ্গে তাকে কেন স্থায়ী অব্যাহতি দেওয়া হবে না, সেটার কারণ দর্শানোর জন্য ১০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

0 0
Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleppy
Sleppy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।